বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০

ইসলামী সংগঠন বিষয়ক বই: Islamic Organization books in Bangla

Islamic_Organization_books_in_Bangla
  ইসলামী সংগঠন বা জামায়াত বিষয়ক pdf বই ডাউনলোড করতে নিচে বইয়ের নামের উপর এবং ও লেখক এর অন্যান্য বই গুলো ডাউনলোড করতে লেখকের নামের উপর ক্লিক করুন।
১। আজকের নেতা সফল নেতৃত্বের শত কৌশল – এস এম জাকির হুসাইন
২। আদর্শ কর্মীর পরিচয় – এ.কে.এম. নাজির আহমদ
৩। আদর্শ রুকন – অধ্যপক গোলাম আযম
৪। আদর্শ সংগঠকের পরিচয় – এ.কে.এম. নাজির আহমদ
৫। আন্দোলন সংগঠন কর্মী – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬। আহলি সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা বা বিশ্বাস – মুহাম্মদ সালেহ আল উসাইমিন
৭। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকীদা – আবু যাফর আহমাদ আত ত্বহাবী
৮। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আকীদা ও সংক্ষিপ্ত মূলনীতি – ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল আকল
১১। ইসলামী নেতৃত্ব – এ.কে.এম নাজির আহমেদ
১৩। ইসলামী নেতৃত্বের গুণাবলী – খুররম জাহ মুরাদ
১৪। ইসলামী সংগঠন – এ.কে.এম নাজির আহমেদ
১৬। ইসলামী সংগঠন ও প্রশিক্ষণ – আব্দুল মতিন
২৩। কর্মপ্রদ্ধতি – ইসলামী ছাত্রশিবির
২৬। জামায়াতবদ্ধ জীবন যাপন গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা – ইমামুদ্দিন বিন আব্দুল বাছীর
২৭। জামায়াতবদ্ধ জীবন যাপনের অপরিহার্যতা – নুর আয়েশা সিদ্দিকা
২৯। বাইয়াতের হাকীকত – অধ্যাপক গোলাম আযম
৩২। মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয় – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
৩৬। সাহাবাদের ব্যাপারে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের আকিদা – মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল -অহাইবী

সংগঠন পরিচিতিঃ
ইসলামী সংগঠনের গুরুত্বঃ সংগঠন শব্দের সাধারণ অর্থ সংঘবদ্ধ করণ। এর বিশেষ অর্থ দলবদ্ধ বা সংঘবদ্ধ জীবন। ইকামাতে দ্বীনের কাজ আঞ্জাম দেয় যে সংগঠন তাকেই বলা হয় ইসলামী সংগঠন। ইসলামী সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে ইকামাতে দীনের সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য ফরয। সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা ছাড়া আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দীন কায়েম হতে পারে না। সংগঠিত উদ্যোগ ছাড়া ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও সৌন্দর্য বিকাশ সাধন সম্ভবপর নয়।

সংগঠন সম্পর্কে আল্লাহর নির্দেশঃ ‘‘তোমরা সংঘবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জুকে (অর্থাৎ ইসলামকে) আঁকড়ে ধর” -আল ইমরান ১০৩

সংগঠন সর্ম্পকে আল্লাহর রাসূলের (সা) বাণীঃ "আমি তোমাদেরকে পাঁচটি বিষয়ের নির্দেশ দিচ্চি আল্লাহ আমাকে ঐগুলোর নির্দেশ দিয়েছেন। (বিষয়গুলো হচ্ছে) সংগঠন, নেতৃ নির্দেশ শ্রবণ, নেতৃ নির্দেশ পালন, আল্লাহর অপছন্দনীয় সবকিছু বর্জন এবং আল্লাহর পথে জিহাদ। যেই ব্যক্তি ইসলামী সংগঠন ত্যাগ করে এক বিঘৎ পরিমাণ দূরে সরে গেছে সে নিজের গর্দান থেকে ইসলামরে রশি খুলে ফেলেছে, তবে সে যদি সংগঠনে প্রত্যাবর্তন করে তো স্বতন্ত্র কথা। আর যে ব্যক্তি জাহিলিয়াতের দিকে আহবান জানায় সে জাহান্নামী। ” সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করিলেন, “হে আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম এবং সাউম পালন করা সত্ত্বেও?” আল্লাহর রাসূল বললেন, “সালাত কায়েম, সাউম পালন এবং মুসলিম বলে দাবী করা সত্ত্বেও। ” -আহমাদ ও হাকেম 

“তিনজন লোক কোন নির্জন প্রান্তরে থাকলেও একজনকে আমীর না বানিয়ে থাকা জায়েয নয়।”

“তিনজন লোক সফরে বের হলে তারা যেন তাদের একজনকে আমাীর বানিয়ে নেয়।” -সুনানু আবী দাউদ

“যে ব্যক্তি জান্নাতের আনন্দ উপভোগ করতে চায় সে যেন সংগঠনকে আঁকড়ে ধরে।” -সহীহ মুসলিম

“যেই ব্যক্তি জামায়াত থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতের মৃত্যু।” -সহীহ মুসলিম

সংগঠন সর্ম্পকে হযরত উমারের (রা) উক্তিঃ “সংগঠন ছাড়া ইসলাম নেই। নেতৃত ছাড়া সংগঠন নেই। আনুগত্য ছাড়া নেতৃত্ব নেই।”

এ সব আয়াত, হাদিস এবং উক্তি থেকে প্রমাণিত হয় যে-
(১) মুমসিদেরকে সংঘবদ্ধ জীবন যাপন করতে হবে। 
(২) এককভাবে জীবনযাপন করার অধীকার তাদের নেই। 
(৩) একক জীবস যাপনকারী শাইতানের শিকারে পরিণত হয়। 
(৪) ইসলামী সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া জাহিলিয়াতে প্রত্যাবর্তনের শামিল। 
(৫) সংঘবদ্ধভাবে জীবন যাপন জান্নাত প্রাপ্তির অন্যতম পূর্বশর্ত। 
(৬) সংগঠন না থাকলে ইসলাম সগৌরবে টিকে থাকতে পারে না। 
ইসলামী সংগঠনের অর্ন্তভুক্ত হওয়া কোন শখের ব্যাপার নয়। ইসলামী সংগঠনের অর্ন্তভুক্ত না হওয়া আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের(সা) 
নির্দেশের সুস্পষ্ট লংঘন। পক্ষান্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সা) প্রতি ঈমানের অনিবার্য দাবী হচ্ছে সংঘবদ্ধ জীবন যাপন।

আবার ভিজিট করবেন !!! ধন্যবাদ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷

Whatsapp Button works on Mobile Device only