আব্বাস আলী খান: Abbas Ali Khan Books

  আব্বাস আলী খান কর্তৃক রচিত ইসলামিক pdf বই অনলাইনে পড়তে নিচে নামের এবং ডাউনলোড করতে এই        চিহ্নের উপর ক্লিক করুন। আমি

লেখক পরিচিতিঃ
জন্ম ও পরিচয়ঃ আব্বাস আলী খানের পূর্বপুরষরা ছিলেন পাঠান। আফগানিস্তান থেকে তাঁর পূর্ব পুরুষরা এদেশের এসে জয়পুরহাটে বসতি স্থাপন করেছিলেন। সেই বংশেই ১৩২১
বাংলা সনের ১৯১৪ইং ফাল্গুনের শেষ সপ্তাহের সোমবার
বেলা ৯টায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। দাদা সুবিদ আলী খান
প্রিয় দৌহিত্রের নাম রাখেন আব্বাস আলী খান। প্রথম নাতি
হওয়ার সুবাদে দাদার আদর আহ্লাদেই কাটে শিশু আব্বাস
আলীর রঙ্গিন শৈশব।

শিক্ষাজীবনঃ খান বাড়ির দ্বীনি আবহেই শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়
আব্বাস আলী খানের। অক্ষর জ্ঞানের আগেই দাদার
আগ্রহে আযান মুখস্থ করেন তিনি। দাদার নির্দেশে পারিবারিক অনুষ্ঠানে, ওয়াজ মাহফিলে আযান দিতে হত শিশু
আব্বাস আলীকে। বাড়িতে লজিং থাকা মৌলভী সাহেবের
কাছে আমপারা আর কিছু বাংলা, উর্দু শিখেন। ছোট চাচার
কাছে হাতেখড়ি হয় অংকের। ১৯২১ সালে প্রাতিষ্ঠানিক
শিক্ষার সূত্রপাত হয় গ্রামের মাদ্রাসাতে ২য় শ্রেণিতে ভর্তির মাধ্যমে। ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত এ মাদ্রাসাতেই লেখাপড়া করেন। অতঃপর গ্রাম ছেড়ে পশ্চিম বঙ্গের হুগলির নিউ স্কিম মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হন। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে জুনিয়র ফাইনাল পরীক্ষায় সরকারি বৃত্তি প্রাপ্তিসহ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন এবং চার বছরের জন্য স্টাইপেন্ড লাভ করেন। ১৯৩০ সালে এ মাদ্রাসা হতে মেট্রিক পাশ করেন। ১৯৩২ সালে রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে আই এ এবং ১৯৩৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কারমাইকেল কলেজ হতে ডিস্টংশনে বি.এ. পাশ করেন। পরে কলকাতা ডেভিড হেয়ার ট্রেনিং কলেজে বি.টি. পড়ার জন্য ভর্তি হন। কিন্তু কলেজের সাম্প্রদায়িক একচোখা নীতির কারণে ভালো রেজাল্ট করার ব্যাপারে হতাশ হয়ে বি.টি. সমাপ্ত না করে চাকুরিতে যোগদান করেন।

বিচিত্র কর্মজীবনঃ(১৯৩৪-১৯৫৬) শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবনে পা রাখেন আব্বাস আলী খান । কারমাইকেল কলেজ হতে বি.এ. পাশ করার পরপর রংপুর দারোয়ানি স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে নিযুক্ত হন। মাত্র একমাস বিশদিনের মাথায় উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতা গমনোদ্দেশ্যে এ চাকুরিটি ছেড়ে দেন। কিন্তু কলকাতা
গমনের কিছুদিনের মধ্যে পরিবারের অর্থনৈতিক কারণে
তিনি পুনরায় চাকুরি খোজতে বাধ্য হন। ১৯৩৬ সালের শুরুতে
দিকে ই.বি.আর. (ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট) এর একাউন্টস অফিসে নিয়োগ পান। নামাজে বাধা দেয়ায় কয়েক মাস পর এ চাকুরি ও ছেড়ে দেন। এরপর কিছুদিন বি.টি. অধ্যয়ন করেন। ১৯৩৬ সালের শেষ দিকে বন বিভাগের হেড অফিসের চাকুরিতে নিয়োগ হন। চাকুরির কারণে দার্জিলিং অবস্থান করেন। এখানেও তিনি বেশিদিন তিথু হতে পারেননি। ১৯৩৭ এর ১০ আগস্ট চাকুরি ছেড়ে দার্জিলিং থেকে চলে আসেন। দার্জিলিং থেকে আসার পর ‘মিলিটারি সার্ভে অব ইন্ডিয়া’ অফিসে এক বছর চাকুরি করেন। অতঃপর বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট যোগ দেন। ৪৭ এর দেশ বিভাগের পূর্ব পর্যন্ত সেক্রেটারিয়েটেই ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। দেশ বিভাগের পর অবিভক্ত ভারতের সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেয়া হয়। এ সময় জুনিয়র কর্মকর্তা কর্মচারিদের অনেকেই টাকা ও স্বজনপ্রীতির জোরে বড় পদে নিয়োগ পান। সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের অবমূল্যায়ন করা হয়। আব্বাস আলী খানও অবমূল্যায়িত হন। স্কুল ইন্সপেক্টর পদে নিযুক্তি পান তিনি। কিন্তু পদটি তাঁর পছন্দসই ছিল না। তাই আটচল্লি¬শের জানুয়ারিতে চাকুরি হতে পদত্যাগ করেন। সরকারি চাকুরি ছাড়ার পর শ্বশুরের অনুরোধে ফুরফুরার পীর মাওলানা আবু বক্কর ছিদ্দিকী (রহ.) এর কাছে বাইয়াত হন। এ সময় থেকে তিনি ইসলামের বিভিন্ন দিক নিয়ে চিন্তা গবেষণা শুরু করেন। তার প্রথম গ্রন্থ ‘কুরআনের আলো’ প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ এ। পরবর্তী বছর আরও তিনটি বই লিখেন। এর একটি কলকাতা থেকে এবং বাকি দুটি বগুড়া থেকে প্রকার্শিত হয়। এভাবে জ্ঞান গবেষণায় কয়েক বছর কেটে যায়। ১৯৫২’র শেষদিকে স্কুল কমিটি এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বারংবার অনুরোধে জয়পুরহাট জেলা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক পদে যোগ দেন। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে প্রায় ধ্বংসের সম্মুখীন স্কুলটাকে তিনি টেনে তুলে শুভার্থীদের আস্থার প্রতিদান দেন। তাঁর প্রাণপ্রিয় সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর নির্দেশে ১৯৫৭ সালের ফেব্র“য়ারিতে শিক্ষকতার চাকুরি ছেড়ে সংগঠনের প্রয়োজনে সংগঠনের সার্বক্ষনিক জনশক্তি নিয়োজিত হন। বৈচিত্রময় কর্মজীবনে ঘাটে ঘাটে ঘোরার পর এত দিনে যেন মনজিলে মকসুদ খুজে পেলেন তিনি। অবশ্য মাঝখানে আইয়ুব খানের শাসনামলে সকল রাজনৈতিক নিষিদ্ধ থাকা কালে ১৯৫৯ সালে কিছুদিনের জন্য আব্বাস আলী খান দিনাজপুর পাকহিলি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকও ছিলেন।

জামায়াতে যোগদানঃ তখন তিনি জয়পুরপাট জেলা হইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। ১৯৫৪ ডিসেম্বর মাস। স্থানীয় মাদ্রাসার মাহফিলে
কারমাইকেল কলেজের তৎকালীন অধ্যাপক জামায়াত নেতা
জনাব গোলাম আযমের বক্তব্য শুনে আকৃষ্ট হন। তারই দাওয়াতে ও পরামর্শে স্থানীয় দায়িত্বশীল শেখ আমিনুদ্দীনের হাতে মুত্তাফিক (সহযোগী সদস্য) ফরম পূরণ করে ১৯৫৫ তে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। ১৯৫৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে জামায়াতের রুকন (সদস্য) হন। তৎকালীন রাজশাহী বিভাগীয় আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমের হাতে তিনি রুকন শপথ নেন। ১৯৫৭ সালের ফেব্র“য়ারিতে তিনি প্রথমবার কেন্দ্রীয় রুকন সম্মেলনে যোগদান করেন। সম্মেলনটি হয়েছিল বাহওয়ালপুর রাজ্যের মাছিগোটে। সম্মলনের পরপর তাকে রাজশাহী বিভাগীয় আমীরের দায়িত্ব অর্পণ করেন।

জাতীয় পরিষদ ও মন্ত্রীসভায়ঃ ১৯৬২ সালের এপ্রিলে আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্রের পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আব্বাস আলী খান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পূর্ব পাকিস্তানের দাবি-দাওয়া আদায়ে তিনি পরিষদে জোরালো ভূমিকা রাখেন। জাতীয় পরিষদে আব্বাস আলী খানের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হচ্ছে আইয়ুব খানের কুখ্যাত ‘মুসলিম পরিবারিক আইন’ কে চ্যালেঞ্জ করে বিল উত্থাপন ও পাশ করা। প্রায় দুইশত বছর ইংরেজরা এদেশে ক্ষমতা কব্জা করে রেখেছিল এবং ইসলামী কানুনের স্থলে বৃটিশ ল চালু করে। এতদসত্ত্বেও বৃটিশরা মুসলিম পরিবারিক আইন তথা বিয়ে-তালাক-উত্তরাধিকার আইন প্রায় অক্ষত রাখে। আর সেনা শাসক আইয়ুব খান মুসলিম পারিবারিক আইনকে ক্ষতবিক্ষত করে কুরআন-সুন্নাহর বিপরীত একটি উদ্ভট পারিবারিক আইন প্রণয়ন করেন।
পুরো দেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। বিক্ষোভ দমনের জন্য ইসলামী নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করা হয়। আব্বাস আলী খান অনেক হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে পরিষদে আইনটি বাতিলের জন্য একটি বিল পেশ করেন। বিপুল ভোটাধিক্যে বিলটি পাশ হয়ে যায়। সকল ইসলামী মহল খান সাহেবকে অভিনন্দিত করেন। বিল পাশের
কয়েকদিনের মাথায় রাওয়ালপিন্ডিতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি
মরাত্মকভাবে আহত হন। অনেকেই এ দুর্ঘটনাকে আইয়ুব
সরকারের পরিকল্পিত হত্যা প্রচেষ্ঠা মনে করেন। ১৯৭১ সালে ডা. মালেক মন্ত্রীসভা গঠিত হলে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। স্বল্প সময়ের এ মন্ত্রীত্বে তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়
গুলোতে প্রয়োজনীয় ছাত্র সুবিধা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করেন। ১৯৮৬’র নির্বাচনেও আব্বাস আলী খান ঢাকার মতিঝিল আসন হতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

কারাবন্দীত্বের ধুসর দিনগুলোঃ ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে ডা.মালেক মন্ত্রীসভার সদস্যদের নিরাপত্তার জন্য রেডক্রুস
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদেরকে ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে গ্রেফতার করা হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ধাক্কায় আব্বাস আলী খানও কারাজীবন শুরু করেন। ১৯৭৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। দাওয়াতী কাজ ও সাহিত্যচর্চায় অতিবাহিত হয় তাঁর ধুসর বন্দীত্বের দিনগুলো। তাঁর অসাধারণ আত্মজীবনী
গ্রন্থ ‘স্মৃতী সাগরে ঢেউ’ রচিত হয় কারাগারে। ‘মৃত্যু যবনিকার উপারে’ কারাভ্যন্তরে রচিত তাঁর আরেকটি চমৎকার
বই। কারামুক্তির পর তিনি সংগঠন গোছানোর কাজে আত্মনিয়োগ করেন। জামায়াতে ইসলামী সহ সকল ইসলামী দল তখন নিষিদ্ধ। শ্বাসরুদ্ধকর এ রাজনৈতিক পরিবেশে ভিন্ন পলিসি নিয়ে কার্যক্রম অব্যাহত থাকে ইসলামী আন্দোলনের। এ সময়কার সংগঠন মূলত আব্বাস আলী খানের নেতৃত্বেই পরিচালিত হত।
জীবনের শেষ প্রান্তেঃ জীবনের অন্তিম পর্যায় অবধি জনাব আব্বাস আলী খান ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বন্ধুর পথে অবিচল ও সাবলিল গতিতে অগ্রসরমান মর্দে মুমিন। জীবনের প্রান্ত
সীমানায় এসেও তাঁর পবিত্র জীবনের সংগ্রামমুখরতা এতটুকু কমেনি; ক্রমান্বয়ে বেড়েছে দায়িত্বের পরিধি। ১৯৮৯ সালের ২৫ মে তাঁর নেতৃত্বেই জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়, তাই তাঁকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়ে থাকে। সংগঠনের আতœপ্রকাশের প্রারম্ভ থেকে ১৯৯৪ এর জুন পর্যন্ত দীর্ঘ পনের বছর জামায়াতে ইসলামী
বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত আমীরের দায়িত্বে নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত ছিলেন জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর। সংগঠনের ভিত্তি মজবুতকরণ, দেশব্যাপী সংগঠন সম্প্রসারণ, স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, অধ্যাপক গোলাম আযমের নাগরিকত্ব পুনর্বহাল ইস্যু, ঘাদানিকদের ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বিরোধী আদর্শিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণ
প্রতিহতকরণ প্রভৃতিতে তিনি সুদক্ষ নাবিকের মত শক্ত হাতে নেতৃত্ব দেন। পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের জনশক্তিদের তরবিয়ত, নৈতিক ও আধ্যাতিœক অগ্রসরতায় তাঁর ভূমিকা অবিস্মরণীয়। জীবনের গোধুলি লগ্নে আশি পেরুনো বয়সেও তিনি সংগঠনের প্রয়োজনে অক্লান্ত শ্রম বিনিয়োগ করেন। কোন রকমের ক্লান্তি কিংবা নিষ্ক্রিয়তাকে তিনি পশ্রয় দেননি। তাঁর হৃদয় ছিল আকাশ সমান উদার। তাঁর সাহচর্যে জনশক্তিরা খোজে পেত অফুরান
প্রাণপ্রাচুর্য, তিনি ছিলেন এক চির সবুজ মহীরূহ। সুদীর্ঘ বছরের বয়স ও বছরের সংগ্রামমুখর সাংগঠনিক জীবনের
পর ১৯৯৯ সালের ৩ অক্টোবর বার দুপুর ১.২৫ টায় পৃথিবীর সফর শেষ করে আলমে আখিরাতে নতুন সফরের সূচণা করেন।
যারা তাদের রবের উদ্দেশ্যে তাকওয়ার নীতি অবলম্বন করেছে তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে; তারা যখন সেখানে গিয়ে উপস্থিত হবে (তখন দেখবে) জান্নাতের দরজাসমূহ (তাদের অভিবাদনের জন্য) খুলে রাখা হয়েছে, জান্নাতের রক্ষী ফেরেশতারা (তাদের অভিনন্দন জানিয়ে) বলবে,
তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখে থাকো এবং চিরন্তন
জীবন কাটানোর জন্য এখানে প্রবেশ কর! তারা (কৃতজ্ঞ চিত্তে) বলবে, সকল প্রশংসা সে আল্লাহ তাআলার, যিনি আমাদের প্রতি দেয়া তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন এবং আমাদেরকে এ ভূমির উত্তরাধিকারী করেছেন, এখন আমরা এ জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা
সেখানেই বসবাস করতে থাকবো। সৎকর্মশীলদের পুরস্কার কতই না উত্তম! সূরা জুমার : ৭৩ঃ৭৪

আব্বাস আলী খানের সাহিত্যকর্মঃ জনাব আব্বাস আলী খান সুসাহিত্যিক ছিলেন। সাহিত্যরস সমৃদ্ধ বাংলা ভাষা তাঁর আয়ত্বাধীন ছিল। এজন্য তাঁর রচনাবলী পাঠকের কাছে সুখপাঠ্য বিবেচিত হয়। কয়েকটি তাত্ত্বিক বই ছাড়া তাঁর অন্যান্য রচনায় রস ও আবেগের প্রাচুর্যে পাঠক আপ্লুত হন। তাঁর তাত্ত্বিক বইগুলো তথ্য ও ত্বত্ত্বসমৃদ্ধ। সে হিসেবে তিনি একজন গবেষক হিসেবে স্বীকৃত। অনুবাদেও ছিলেন সিদ্ধহস্ত। মৌলিক ও অনূদিত মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ত্রিশ। তাঁর রচনাবলীর একটি তালিকা প্রদত্ত হল:-
১। বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস
২। জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাস
৩। মাওলানা মওদূদী : একটি জীবন একটি ইতিহাস
৪। মৃত্যু যবনিকার ওপারে
৫। ইসলাম ও জাহেলিয়াতের চিরন্তন দ্বন্দ্ব
৬। ঈমানের দাবী
৭। একটি আদর্শবাদী দলের পতনের কারণ ও তার
থেকে বাঁচার উপায়
৮। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের কাঙ্খিত মান
৯। আলেমে দ্বীন মাওলানা মওদূদী
১০। মাওলানা মওদূদীর বহুমখী অবদান
১১। স্মৃতী সাগরে ঢেউ
১২। সমাজতন্ত্র ও শ্রমিক
১৩। মুসলিম উম্মাহ
১৪। ইসলামী আন্দোলন ও তার দাবী
১৫। কোরআনের আলো (প্রথম বই ১৯৪৮)
অনুবাদ
১। পর্দা ও ইসলাম
২। সুদ ও আধুনিক ব্যাংকিং
৩। ইসলামী অর্থনীতি
৪। জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের ভিত্তি

আবার ভিজিট করবেন !!! ধন্যবাদ

Whatsapp Button works on Mobile Device only